পাকিস্তান হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে টেক্সটাইল বর্জ্য আমদানি করতে পারে পাকিস্তান

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে পোশাক শিল্পের ঝুট বা টেক্সটাইল বর্জ্য আমদানি করে পাকিস্তান তাদের ক্রমবর্ধমান রিসাইকেল শিল্পের চাহিদা পূরণ করতে পারে।’

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে পোশাক শিল্পের ঝুট বা টেক্সটাইল বর্জ্য আমদানি করে পাকিস্তান তাদের ক্রমবর্ধমান রিসাইকেল শিল্পের চাহিদা পূরণ করতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ। পাকিস্তানে বাংলাদেশের পাট তন্তুর উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। পাকিস্তান যদি পাট তন্তু আমদানি করে, তবে তা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।’

রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে গতকাল পাকিস্তান হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মুহাম্মদ ওয়াসিফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় পাকিস্তান হাইকমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অ্যাটাশে জাইন আজিজ এবং বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, সুমাইয়া ইসলাম ও ফাহিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারকরণ ও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার অন্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

আলোচনায় টেক্সটাইল উৎপাদনে পাকিস্তানের শক্তিশালী বৈশ্বিক অবস্থান এবং পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অবস্থানের বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে পাকিস্তান থেকে টেক্সটাইল আমদানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে তৈরি পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ রফতানি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার করতে আগে বিজিএমইএ এবং পাকিস্তান রেডিমেড গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিআরজিএমইএ) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও